জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে

আমাদের মনে একটি প্রশ্ন থাকে আসলে কি জম্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে এটা কি আদ একটি বাস্তব কথা। আর প্রতেটি ব্যক্তি জীবনে একটি কথা চলে আসে আমি কবে বিবাহ করব। আর বিয়ে নিয়ে সবার মনেই কৌতুহল রয়েছে। 


সাধারনত একজন মানুষ সংখ্যাতত্ত্ব শেখার পর আপনি নিজেই একজন ব্যক্তির জন্ম তারিখ থেকে বিশ্লেষণ করতে পারেন।মানসিক সংখ্যা, ভাগ্য সংখ্যা, রাশিচক্র, জন্ম মাস এবং জন্মের বছর উপর নির্ভর করে  একজন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য। সাধারণত মানুষের ২৩ থেকে ২৬ বছরের মধ্যে বিবাহ হয়ে থাকে।

জম্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে আমরা যা যা জানতে পারি

জম্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে

জম্ম তারিখ দিয়ে কার কখন বিবাহ হবে সেটা জানা সম্ভব না। কারণ আমরা শুধু এটুকু অনুমান করতে পারি তার বিবাহ কবে হবে কিন্তু এটা বলতে পারবো না বাস্তবে কি তার বিবাহ হবে কি না। আর এই পৃথিবীতে প্রতিটা মানুষের আলাদা আলাদা চরিত্র রয়েছে।

মানসিক সংখ্যা, ভাগ্য সংখ্যা, নাম সংখ্যা, রাশিচক্র, জন্ম মাস এবং জন্মের বছর উপর নির্ভর করে। জম্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কোন বছরে হবে সেটা বুঝতে পারবেন আপনার জম্ম তারিখ দিয়ে। আবার 91জ্যোতিষ আপনাকে আপনার জন্মতারিখ ব্যবহার করে আপনি কখন বিবাহ করবেন তা বলতে পারে। 

জন্ম তারিখ অনুযায়ী বিয়ের সাল জানার উপায়

সাধারণত জম্ম তারিখ অনুযায়ী বিয়ের সাল প্রথমত সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী ব্যবহার করে অনুমান করা হয়। আবার একজন জ্যোতিষী আপনার  জম্ম তারিখ, সময় ও স্থান ব্যবহার করে একটি কুন্ডলী তেরি করে থাকে। তাই আমাদের প্রথমে একজন ব্যক্তির কয় তারিখে জম্ম গ্রহণ করেছে তা দেখতে হবে। আর আমাদের জম্মের তারিখ হলো আসল।

জম্ম তারিখ থেকে সাল বাহির করতে হলে প্রথমে জম্ম তারিখ যোগ করে একক অংঙ্কে নামিয়ে এনে যেমন: ১০/১২/১৯৯৮ হলে ১+০+১+২+১+৯+৯+৮=৩১ তারপর ৩+১=৪ এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। তাহলে এর নিজস্ব নাম্বার হলো ৪। আর এই মেথটটি কিন্তু ৮২-৮৫% মিলবে আবার এছাড়া তো সংখ্যাতত্ত্ব সব নয় রাশি দেখতে হবে। 

জম্ম তারিখ অনুযায়ী ভাগ্যফল 

জম্ম তারিখ অনুযায়ী ভাগ্যফল জানতে হলে রাশি এবং সংখ্যাতত্ত্ব সাহায্যে নিতে পারেন। আর যদি আপনার জম্ম তারিখটি একক অংঙ্ক হয় যেমন: ৪ তারিখ তবে আপনার মূলাঙ্ক ৪ হবে আর যদি জম্ম তারিখ ৯ হয় তাহলে আপনার মূলাঙ্ক হবে না যদি জম্ম তারিখ দুই অংঙ্কের হয় তাহলে অংঙ্ক দুইটি যোগ করুন। আর সহজ কথায় বলেল আপনার জম্ম তারিখ এক অংঙ্কে আনতে হবে।

এবার আসুন জানুন ১-৯ মূলাঙ্ক রহস্য। যদি আপনার মূলাঙ্ক ১ হয় তবে আপনি রবির প্রভাবে জম্মগত নেতা, আত্মবিশ্বাসী এবং তেজস্বী। যদি আপনার মূলাঙ্ক ২ হয় তবে আপনি চাঁদের মতো শান্ত সংবেদনশীল এবং কল্পনাপ্রবণ। ‍যদি মূলাঙ্ক ৩ হয় তবে আপনি দেবগুরু বৃহস্পতির প্রভাবে অত্যন্ত জ্ঞানী নীতিবান এবং আশাবাদী।যদি মূলাঙ্ক ৪ হয় তবে আপনি রাহুর প্রভাবে পরিশ্রমী বাস্তববাদী এবং প্রথা ভাঙতে আগ্রহী।


মূলাঙ্ক ৫ হয় তবে আপনি বুধের প্রভাবে বুদ্ধিমান দ্রুত গতিশীল এবং যোগাযোগে পটু। মূলাঙ্ক ৬ হয় তবে আপনি শুক্রের প্রভাবে আকর্ষণীয় স্নেহশীল এবং বিলাসবহুল জীবনযাত্রায় আগ্রহী। মূলাঙ্ক ৭ হয় তবে আপনি চিন্তাশীল রহস্যসময় এবং গভীর জ্ঞানী অন্বেষণকারী। মূলাঙ্ক ৮ হয় তবে আপনি শনিদেবের প্রতিনিধি। মূলাঙ্ক ৯ হয় তবে আপনি মঙ্গলের প্রভাবে সাহসী উদ্যমী এবং মানবতাবাদী।

আরও পড়ুন: কার সাথে বিয়ে হবে জানার উপায়

জন্মের তারিখ অনুযায়ী বিবাহের ভবিষ্যত পূর্বাভাস

জম্মের তারিখ অনুযায়ী বিবাহের ভবিষ্যতে পূর্বাভাস পেতে জ্যোতিষশাস্ত্র বা সংখ্যাতত্ত্বের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, সংখ্যাতত্ত্ব ব্যক্তির জন্ম তারিখের উপর ভিত্তি করে ‘মূলাঙ্ক’ নির্ধারণ করে। জ্যোতিষীরা ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট দশা যেমন শুক্র বা বৃহস্পতি অতিক্রম করার সময় গ্রহের গোচর অবস্থান দেখে বিবাহের সম্ভাবনার কথা বলতে পারেন।

বিবাহ সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক কেবলমাত্র দুই ব্যক্তি নয় বরং দুই পরিবারের মধ্যে একটি জীবনকালিন সম্পর্ক সৃষ্টি করে। বিবাহটি সমাজের সকল ধর্মের অনুসরণ করা হয়। আর আরেকটি হলো মূলাঙ্কের ভিত্তিতে ব্যক্তির স্বভাব, ব্যক্তিত্ব এবং বিবাহ সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
গ্রহ চলন এবং মহাব্যুহীয় দেহী সাহায্যে জ্যোতিষ আপনার বিবাহ সঠিকভাবে পূর্বাভাস করতে পারে।

জম্ম বার থেকে বিবাহের বয়স জানুন

জম্ম বার থেকে বিবাহের বয়স জানতে সাধারণত মানুষ জোতিষী বিদ্যা বা সংখ্যাতত্ত্বর উপর বেশি নির্ভর করে থাকে তারপর রাশিফল এর উপর করে থাকে। এই সমস্ত কোনো নির্দিষ্ট গাণিতিক হিসাব নয় কারণ এইগুলো অনেক বিষয় এর উপর নির্ভর করে। এছাড়াও বিবাহের জন্য আদর্শ বয়স সম্পর্কে আধুনিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। 

জন্মবার অনুযায়ী বিবাহের বয়স নির্ণয়ে রবিবারে জন্মানোদের বিয়ে দেরিতে, প্রায় ২৫–৩০ বছরে হয়। সোমবারে জন্মালে ২০–২৫ বছরে বিবাহের সম্ভাবনা বেশি। মঙ্গলবারে জন্মালে দেরিতে বিয়ে। বুধবারে জন্মালে ২২–২৭ বছরে প্রেমভিত্তিক বিয়ের সম্ভাবনা থাকে। বৃহস্পতিবারে শুভ সময় ২৪–৩০ বছর। শুক্রবারে তাড়াতাড়ি ২১–২৬ বছরে বিয়ে হয়। শনিবারে দেরিতে সাধারণত ২৮–৩৫ বছরে বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

জন্ম তারিখ অনুযায়ী জেনে নিন আপনার প্রেম ও বৈবাহিক জীবন

এখানে আপনাদের আমরা সংখ্যাতত্ত্বে ভিত্তিতে বলছি আপনাদের বৈবাহিক জীবন প্রম করে হবে না দেখে শুনে বিবাহ হবে। সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে ৯ প্রকারে বিভক্ত করা যেতে পারে । যেমন: যদি আপনার জম্ম তারিখ ১ হয় তাহলে আপনার বিয়ে হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি। ২-৩ জম্ম তারিখ হয়ে থাকলে প্রেম ময়ে বিয়ে  বেশি হয়ে থাকে।

আবার  ৪ নাম্বার এ কিছুটা শান্ত ও রঙ্গিন প্রকৃতির। আর ৫ নম্বর মানুষের প্রচলিত নিয়মে বিয়ে করতে বিশ্বাসী। ৬ নম্বর ভালোবাসার বিশ্বাস এর উপরে যখন তারা সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। ৭ নম্বর এ জম্ম নিলে বুঝায় সৎ ও বিশ্বস্ত। আর ৮-৯ তারিখ এ জম্ম নিলে অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ করে থাকেন।


আরও পড়ুন: জম্ম তারিখ অনুযায়ী ক্যারিয়ার 

রাশিফল অনুযায়ী বিবাহ উপায়

জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো দাম্পত্য জীবন। এই জীবনে একজন যুবক-যুবতী তার মানসিক-শারীরিক-আত্মিক-সাংস্কৃতিক প্রভৃতি সকল চাহিদা পূরণ করতে পারে। প্রচলিত কিছু রাশিফল তা থেকে মানুষ কিছু ধারণা পেয়ে থাকে যেমন: মেষ রাশি, বৃষ রাশি, মিথুন রাশি, র্ককট রাশি, সংহ রাশি, কন্যা রাশি, তুলা রাশি, বৃশ্চিক রাশি, মকর রাশি, ধনু রাশি, কুম্ভ রাশি, মীন রাশি প্রভৃতি রাশিফল অনুযায়ী জোতিষীরা বিবাহ অনুমান করে থাকে।

রাশিফল অনুযায়ী বিবাহ উপায় আমার মতে বিবাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা উচিত নয়। কারন কার সঙ্গে কার বিয়ে হবে এটা কেউ বলতে পারবে না। বিবাহ হলো একটি পবিত্র বন্ধন যার মাধ্যমে দুটি জীবন একে অপরের সঙ্গে একত্রিত হয়ে থাকে। কাজেই এগুলো সবই অতি জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

জম্মের আগে থেকে কি বিবাহের বিষয়টি নির্ধারিত

জম্মের আগে থেকে কি বিবাহের বিষয়টি নির্ধারিত এটা কেউ বলতে পারবে না যে কার সাথে বিবাহ হবে। আবার অনেক ধর্মে বিশ্বাস করে বিবাহ জম্মের আগে থেকে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। আর কে কার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে তা জম্মের আগে নির্ধারিত থাকে সাধারণত মানুষেরা বলে থাকে তাকদিরে লিখা থাকে।

এটি বিশ্বাস করা হয় যে মানুষের জীবন, জন্ম, মৃত্যু এবং বিবাহসহ সবকিছুই আল্লাহ্‌ তা'আলা সৃষ্টির বহু আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছেন।কাজেই আল্লাহর কাছে দোয়ার মাধ্যমে এই তাকদির পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করা হয়। কিন্তু সবাই মনে করে জম্মের আগে থেকে নির্ধরিত হয়ে থাকে ‍পৃথিবীতে কার সাথে তার বিয়ে হবে। 

উপসংহার

পরিশেষে আমরা বলতেই পারি যে, জন্মতারিখ অনুযায়ী বিবাহের সময় নির্ধারণ করতে সাধারণত জ্যোতিষশাস্ত্র ও সংখ্যাতত্ত্ব ব্যবহৃত হয়। এই বিশ্লেষণে ব্যক্তির জন্মদিন, মাস, বছর, জন্মসময় ও জন্মস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সংখ্যাতত্ত্ব মতে জন্মতারিখের যোগফল ও লাইফ পথ নাম্বার থেকে বিবাহের সম্ভাব্য বছর নির্ণয় করা যায়। বাস্তবে বিবাহ নির্ভর করে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, পারিবারিক অবস্থা ও সময়ের শুভ সংযোগের উপর।

আমি আরো বলতে চাই যে এটি আদো সম্ভব না যে জম্ম তারিখ অনুযায়ী বিবাহ কবে হবে তা বলা সম্ভব। কাজেই পৃথিবতে কিছু কিছু মানুষ রয়েছে যারা সংখ্যাতত্ত্বর মাধ্যেমে বা জোতিষী বিদ্যার মাধ্যমে কেবল মাত্র একটা ধারণা দিয়ে থাকে আবার এ বলে থাকে রাশিফল এর মাধ্যেমেও বিবাহ হয়ে থাকে।এছাড়াও বিবাহের জন্য আদর্শ বয়স সম্পর্কে আধুনিক বিজ্ঞানের বিভিন্ন মতামত রয়েছে। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি গুড আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Abdullah Al Bayezid
Abdulla Al Bayezid
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও বিডি গুড আইটির এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।