বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়
আজকে আমরা জানবো বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়। আপনি তাহলে আজ সঠিক জায়গাতে আসছেন। চলুন আমরা আপনাদের এ আর্টিকেলের মাধ্যেমে হঠাৎ বিড়াল কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয় তা আমরা আটটি উপায়ে জানবো। আমরা জানি বিড়াল একটি পোষা প্রাণী আর এই পোশা প্রাণীটি যখন হিংস্র হয়ে যায় তখন কামড় বা আচঁড় দিয়ে থাকে।
আসুন আমরা জানি বিড়ালের কামড় বা আচঁড় এ জলাতঙ্ক রোগ হয় এর থেকে বাচার জন্য বা পরিত্রান পাওয়ার জন্য আজ আপনাদের কয়েকটি উপায় জানাবো। আসা কারি আমার এ আর্টিকেল এর মাধ্যেমে বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয় বিস্তারিত জেনে থাকবেন।
পেজ সূচিপত্র: বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়
- বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়
- বিড়াল কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয় আর দাম কত
- বিড়াল কামড়ালে ভ্যাকসিন না দিলে কি হয়
- বিড়াল কামড় দিলে কি ক্ষতি হয়
- সুস্থ বিড়াল কামড়ালে কি জলাতঙ্ক হয়
- বাচ্চা বিড়াল কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয়
- জলাতঙ্ক রোগের টিকা কত দিনের মধ্যে দিতে হয়
- বিড়াল আচড় দিলে কত দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে হবে
- বিড়ালের আচড়ের ক্ষত কিভাবে পরিষ্কার করব
- শেষ কথা-বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়
বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়
আপনার পোষা বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয় অনেকে আছে তা জানে
না। আসুন আজ আমরা আপনাদের জানাতে চলেছি ্আপনাদের পোষা বিড়াল শান্ত থাকলেও
মাঝে মধ্যে রেগে কামড় বা আচড় বসাই দেয়। যার ফলে গুরুত্ব না দিয়ে চিকিৎসা না করলে
জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। আর পোষা প্রাণী হিসেবে বিড়াল অনেকের কাছে প্রিয়। আবার অনেক
সময় বিড়াল কামড়ালে মনে করে সামান্য ব্যাথা বা সংক্রামণের কোন চিন্তা নয় এই বলে
ডাক্তার এর কাছে যায় না।
আরও পড়ুন: বিড়াল আচর দিলে কি দোয়া পড়তে হয়
চিকিৎসা বিশেজ্ঞ মতে যদি কোনো বিড়াল কামড় বা আচড় দেয় তাহলে তাকে পাঁচ ডোজ এর
মাধ্যেমে টিকা নিতে হবে। কাউকে যদি কখনো বিড়াল কামড় দেয় তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে
প্রথম টিকা প্রদান করতে হবে। ক্রমন্বয়ে তার তৃত্বীয় দিনের মাথায় দ্বিতীয় টিকা
দিতে হবে। এভাবে সপ্তম দিন তারপর চৌদ্দদিন পর সর্বশেষ আটাঁশ দিন পর শেষ চারটি
টিকা নিতে হবে। আর যদি গত পাঁচ বছরে জলাাতঙ্ক টিকা নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে শুধু
প্রথম ও তৃতীয় দিনের দুটির বুস্টার ডোজ নিলেই হবে।
বিড়াল কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয় আর দাম কত
চলুন আজ আমরা আপনাদের জানাতে চলেছি বিড়ালে কামড়ালে কি ভ্যাকসিন নিতে হয়। বিড়াল
একটি শান্ত প্রকৃতির প্রাণী হিসাবে মানুষ বিড়াল পোষে থাকে। যদি কখনো শুনের ওই
পোষা বিড়াল হিংস্র হয়ে আপনাকে কামড় বা আচড় দিয়েছে তখন আপনি কি করবেন তা কি জানেন।
আর যদি বিড়ালের কামড় বা আচড়ে রক্তপাত হয় তাহলে আপনার জলাতঙ্ক টিকা নেওয়া জরুরি।
কেননা এ রোগ অনেক মারাক্ত রুপ ধারণ করে। পরবতীতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী
ভ্যাকসিন নিতে হবে।
অনেকে আছে আবার যারা বিড়ালে কামড়ালে বা আচড় দিলে অনেক হালকা ভাবে নিয়ে থাকে তাদের
উদ্দেশে বলি বিড়ালে কামড়ালে বা আচড় দিলে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। আর এই রোগ থেকে
পরিতান পেতে হলে আপনাকে সর্ব প্রথম ভ্যাকসিন দিতে হবে তা না হলে বড় ধরনের রোগ হতে
পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভ্যাকসিন বেশি দেওয়া হয়ে থাকে।
যেমন- NOBIVAC Feline 1-HCPCh, RABISIN, QUADRICAT।
আর এসব ভ্যাকসিন বাহির থেকে দিতে গেলে হাজার টাকার উপর লেগে যায়। আর সরকারি
হাসপাতালে বিনামূলে দেওয়া হয়।
বিড়াল কামড়ালে ভ্যাকসিন না দিলে কি হয়
বর্তমান সময়ে পোষা প্রাণী বলতে প্রায় সবারই বিড়াল একটি পছন্দের প্রাণী হিসেবে
প্রথমের সারীতে থাকে। কিন্তু অনেকে জানে না যখন আপনার এ পোষা প্রাণীটি যখন হিংস্র
রুপ ধারণ করে তখন অনেক মারাক্তকর হয়ে ওঠে। যার ফলে দেখা যায় অনেক সময় এ পোষা
প্রাণীটি রাগের বসে কামড় বা আচড় দিয়ে থাকে। আর এই আচড় বা কামড় এর কারণে সাধারণত
একটি প্রাণ ঘাতি রোগ হয়ে থাকে। তাই সেই দিকে আমাদের লক্ষ্য রাখা উচিত।
অনেকে আছে বিড়ালে কামড়ালে বা আচড় দিলে মারাক্তকভাবে রক্তপাত হলে সর্তক না হয়ে
বাড়িতে বসে থাকে। আর এই রক্তপাত এর ফলে আপনার জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। আর এ রোগ এর
কারণে ভ্যাকসিন না দিলে এ মারাক্ত রোগ এ মারা যেতে পারেন। যারজন্য বিড়ালে কামড়ালে
বা আচড় দিলে এত রক্তপাত হলে ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী তিনটি ভ্যাকসিন দিতে হয়।
এই ভ্যাকসিন গুলো ব্যক্তিগতভাবে বা সরকারিভাবে বিনামূলে দিয়ে থাকে।
বিড়াল কামড় দিলে কি ক্ষতি হয়
আমরা অনেকে বিড়াল পোষে থাকি আর বিড়াল কামড় দিলে কি হয় তা আমরা জানি না। আপনাদের
অনেকে বিড়াল পোষে থাকে। তাই বিড়ালের কামড় বা আচড় কখনো হালকাভাবে নেওয়া উচিত না।
আর যদি কামড়টি রেবিস আক্রান্ত বিড়ালের হয় তাহলে এটি একটি প্রাণঘাতী সমস্যা সৃষ্টি
করে তোলে। রেবিস মানে জলাতঙ্ক রোগ যা একটি ভাইরাসজনিত রোগ যার মাধ্যেমে মানুষের
শরীরে খুব দ্রুত ছরিয়ে পড়ে এবং পরে মারাক্ত রুপ ধারণ করে।
আবার বিড়ালের কামড় বা আচড় ফলে ত্বকের ভিতরে ক্ষত সৃষ্টি হয় আর আস্তে আস্তে
পুরো শরীরে ছরিয়ে পড়ে। আর এ থেকে সর্তক না হলে অনেক সময় অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে
পারে। তাই বিড়াল কামড়ানোর বা আচড় দেওয়ার সাথে সাথে ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী
চিকিৎসা নেওয়া উচিত। কখনো কোনো কিছু হালকা ভাবে নেওয়া বকামি। বিড়াল কামড়ালে
প্রথমত এটি জলাতঙ্ক রোগের দিকে ঠেলে দেয় যা একটি প্রাণঘাতী রোগ।
সুস্থ বিড়াল কামড়ালে কি জলাতঙ্ক হয়
আপনাদের মধ্যে অনেকে আছে বিড়াল পোষে থাকে। আর বিড়াল একটি এমন প্রাণী কে না তাকে
পছন্দ করে। আবার দেখা যায় বিড়াল নিয়ে খেলতে সব থেকে ছোট বাচ্চারা বেশি পছন্দ করে।
আর একটি বিড়ালের কামড়ে বা আচড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। আর বিড়ালটি যদি রেবিস এ
আক্রান্ত কিনা সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আর সুস্থ বিড়াল কামড়ালে জলাতঙ্ক রোগ হয়
না তবে যদি বিড়ালটি রেবিসে আক্রান্ত হয়ে থাকে আর কামড় দেয় তাহলে জলাতঙ্ক রোগ
হবে।
আপনাদের বাড়িতে বিড়াল পোষতে হলে প্রথমে সুস্থ সবল বিড়াল বাছাই করতে হবে। তা না
হলে রেবিস জনিত আক্রান্ত বিড়াল কামড় বা আচড় এর ফলে জলাতঙ্ক রোগ এ আক্রান্ত হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই আপনাদের উচিত হবে প্রথমে বিড়ালটিকে প্রাণী চিকিৎসকের
নিকট হতে পরীক্ষা-নিরিক্ষার মাধ্যমে বিড়াল বাছাই করা আর সময় মতো আপনার বিড়ালটিতে
ভ্যাকসিন দেওয়া। কারণ কখনো একটি সুস্থ বিড়াল কামড়ালে জলাতঙ্ক রোগ হওয়া সম্ভব
না।
বাচ্চা বিড়াল কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয়
আপনাদের জানা উচিত কখনো একটি বিষয় ছোট করে দেখতে হয় না। তাহলে এক সময় এটি অনেক বড়
হয়ে ওঠে। ঠিক তেমনি বাচ্চা বিড়াল কামড়ালে বা আচড় দিলে হালকা ভাবে নেওয়ার কোন কারণ
নাই এতেও অনেক মারাক্ত হতে পারে। আর যদি ওই ছোট বাচ্চাটি রেবিস রোগ এ আক্রান্ত
হয়ে থাকে তাহলে জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। কাজেই আপনাদের সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে
যাতে আপনার বাচ্চা বিড়ালটি সুস্থ থাকে।
সাধারণত মানুষ শখের বসে বিড়াল পোষে থাকে। আর যার ফলে অনেকে বিড়াল সম্পর্কে সচেতন
না। মনে করে একটি বাচ্চা বিড়ালের কামড় বা আচড়ে কি হতে পারে। কিন্তু ঐ বাচ্চা
বিড়ালটি যদি অসুস্থ বা রেবিসে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে অনেক সময় জলাতঙ্ক রোগে
আক্রান্ত হয় । আর বিড়াল এমন একটি প্রাণী কার না ভালো লাগে। এজন্য আপনাদের সুস্থ
সবল বিড়াল পোষা দরকার।
জলাতঙ্ক রোগের টিকা কত দিনের মধ্যে দিতে হয়
আপনেরা জেনে অবাক হবেন বিড়ালে কামড়ালে বা আচড় দিলে মারাক্তক প্রাণঘাতী একটি
জলাতঙ্ক রোগ হয়ে থাকে। আপনাদের ভিতরে অনেকে বিড়াল পোষে থাকে আর অনেকে তা জানে না
কিভাবে একটি সুস্থ বিড়াল নির্বাচন করতে হয়। যার ফলে কোন অসুস্থ বিড়াল এর মধ্যে
দিয়ে এ রোগ বেশি হয়ে থাকে। যার মধ্যে বিড়ালটি যদি রেবিস রোগ এ আক্রান্ত হয়ে থাকে
আর সেই বিড়াল যদি কামড় বা আচড় দিয়ে থাকে তাহলে এ রোগটি হয়ে থাকে।
এখন আসুন আমরা জানি জলাতঙ্ক রোগ হলে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়। সাধারণত কোন
রেবিস আক্রান্ত বিড়াল কামড় বা আচড় দিয়ে থাকে তাহলে জলাতঙ্ক রোগ হয়। এজন্য প্রথমে
২৪ ঘন্টার ভিতরে টিকা দিতে হবে। তার তিন দিন পর মানে তৃতীয় দিনে একটা এরপর সাত
দিনের মাথায় এভাবে চৌদ্দ দিন এ একটা সর্বশেষে আঁটাশ দিনে একটা টিকা প্রদান করতে
হবে। মোট পাঁচটা টিকা প্রদান করতে হবে।
বিড়াল আচড় দিলে কত দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে হবে
আজ আমি আপনাদের বলবো বিড়াল আচড় দিলে কত দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে হবে। অনেকে আছে
বিড়াল অনেক পছন্দ করে। যার ফলে অনেকে মনে করে না যে আমার পোষা বিড়ালটি কখনো রাগের
বসে কামড় দিতে পারে। যার কারণে আপনাদের ভ্যাকসিন নিতে হতে পারে। আবার অনেকে তা
জানতে চাই না। আবার অনেকে বিশ্বাস করে না এটা কি কখনো সম্ভব। আসলে বিড়াল এর আচড় এ
মারাক্ত রোগ রয়েছে।
এ রোগ থেকে বাঁচতে হলে ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হয়। আর এ রোগ এর
কিছু ভ্যাকসিন রয়েছে যা আচড় দেওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে সর্বপ্রথম একটা নিতে হয় তারপর
৩য় দিনের মাথায় ৭ম, ১৪তম, সবশেষ ২৮ দিনের মাথায় নিতে হয়। এছাড়াও ডাক্তারের
পরামর্শ অনুযায়ী তৃতীয় দিনের দুইটি বুস্টার ডোজ নিলেই যথেষ্ট। এ রোগ বেশির ভাগ
রেবিস আক্রান্ত বিড়াল আচড় দিলে হয় সুস্থ বিড়াল আচড় এ হয় না।
বিড়ালের আচড়ের ক্ষত কিভাবে পরিষ্কার করব
আসুন আমরা বিড়ালের আচড়ের ক্ষত পরিষ্কারের পদ্ধতি সম্পর্কে জানি। প্রায় সকলেই
বিড়াল পোষে থাকে। কিন্তু অনেকে আছে বিড়ালে আচড় দিলে যে ক্ষত সৃষ্টি হয় তা কিভাবে
পরিষ্কার করতে হয় তা জানে না। এ কারণে অনেক ব্যাকটেরিয়ার বা বিভিন্ন রোগ এ
আক্রান্ত হচ্ছে। আবার অনেকে এটি হালকা ভাবে নেয়। যার ফলে দেখা যায় অনেক সময়
অসাবধানতার কারণে মানুষ বিড়ালের আচড় খেয়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়।
যারজন্য কখনো যদি বিড়াল আচড় দেয় তখন ক্ষত স্থানটি ভালো ভাবে সাবান বা ঠান্ডা পানি
দিয়ে ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে হবে। এছাড়াও ভালো হবে কলের পানির নিচে ৫ মিনিট ধরে
বসে থেকে পরিষ্কার করা। আর যদি বাড়িতে কোনো জিবাণু নাসক ক্রিম বা জেল থাকে সেটা
ব্যবহার করতে পারেন। পরে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।
মনে রাখবেন ভুলেও যেন ময়লা কিছু দিয়ে ক্ষত স্থানটি পরিষ্কার করতে যাবেন না।
শেষ কথা-বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়
আপনাদের মধ্যে অনেকে আছে বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয় তা জানি
না। বিড়াল হচ্ছে এমন প্রাণী প্রায় সবাই পছন্দ করে। আর সেই বিড়ালটি যদি রেবিস রোগ
এ আক্রান্ত হয়ে থাকে আর তা বুঝে ওঠার আগে যদি আপনি বিড়ালের কামড় বা আচড় দেয় তাহলে
জলাতঙ্ক নামক একটি রোগ হয়ে থাকে। এটি অনেক মারাক্ত রোগ। যদি বিড়ালের কামড় এর ফলে
সঠিক সময় মত টিকা না দেয় তাহলে প্রাণ ঘাতি হতে পারে।
বিড়াল পোষার জন্য সাধারণত সুস্থ সবল বিড়াল বাছাই করতে হয়। আর ডাক্তার এর পরামর্শ
অনুযায়ী বিড়ালকে ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে। আর আমার এ আর্টিকেল পড়ে যদি উপকৃত হন
তাহলে আপনাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর আপনার পর্যাপ্ত সময় ধরে
পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আর এ সকল তথ্য পেতে প্রতি নিয়ত ভিজিট ও
সাবস্ক্রাইব করুন।



বিডি গুড আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url