আমার হাত দেখে বলুন-আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে আমাদের মনে প্রশ্ন থাকলেও এটি কি আদ বাস্তব। আর প্রতিটি
মানুষের জীবনে একটি কথা চলে আসে আমার বিয়ে কবে হতে পারে। তাহলে চলুন এই
আর্টিকেলের মাধ্যমে জানা যাক কয়টি উপায়ে বিয়ে কবে হবে তা খুব সুন্দর ভাবে বলা
আছে। আমি আসা করি আপনারা তা পড়ে বুঝতে পারবেন। এতে কয়েকটি হেডিং এর মাধ্যমে বুঝতে
সাহায্য করা হয়েছে।
বর্তমান এ অনেকে অনেক ভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে আজ আপনারা আমার এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে খুব সহজে তা জানতে পারবেন। তাই দেরি না করে চলুন তাড়াতাড়ি পড়ে আসি। আর বিয়ে নিয়ে অনেকে গুগলে সার্চ করে থাকে আর এই নিয়ে আমার আর্টিকেল অনেক সুন্দরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে নিচে আমার বিয়ে কবে হবে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো।
পেজ সূচিপত্র: আমার বিয়ে কবে হবে
- আমার বিয়ে কবে হবে
- আমার বিয়ে কবে হতে পারে
- আমার বিয়ে কত সালে হতে পারে
- আমার কত বছর বয়সে বিয়ে হবে
- জন্ম তারিখ অনুযায়ী আপনার বিয়ে কবে
- গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে
- আমার বিয়ে কার সাথে হবে তার ফেসবুক আইডি
- আমার কার সাথে বিয়ে হবে
- একজন বেকার হিসেবে এখন কি আমার বিয়ে করা উচিত
- কত বছর বয়সে ছেলে মেয়েদের বিয়ে করা উচিত
- আমি বিয়ে করতে চাই কিভাবে করব
- শেষ কথা-আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে তা বলা এক প্রকার কখনো সম্ভব না। একজন পুরুষ মানুষের বয়স যখন
২১ বছর হয় তখন থেকে তার চার পাশের মানুষেরা বলতে থাকে বিয়ে করবি কবে। তখন ঐ
মানুষটা ভাবতে লাগে কবে আমার বিয়ে হবে। আবার পরিবার থেকে বলে থাকে আগে পড়াশুনা
শেষ করে একটা কর্মে লাগ তারপর বিয়ে নিয়ে চিন্তা করিস। বিয়ে মানুষের জিবনে একটি
সু-সম্পর্ক গড়ে তুলে।
আরও পড়ুন: জন্ম তারিখ অনুযায়ী আপনি কেমন
আবার দেখা যায় কোনো পরিবার এ অবস্থা এই রকম হয় যে, স্বচ্ছল জীবন-যাপন করে এবং
পরিবারে আরেকজন আসলে কোনো আর্থিক যোগানের কোনো সমস্যা হবে না তাহলে দেখা যায় ঐ
পরিবার থেকে ছেলেকে বিয়ে দিয়ে দায়। তখন সাধারণত বলা যায় আমার বিয়ে পড়াশুনা শেষে
হবে। তা ছাড়া পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না হলে কখনো তা সম্ভব না।
তাছাড়া আরেকটু কঠিন ভাষায় বলি, বিয়ে কখন কার হবে তা কেউ বলতে পারবে না। বিয়ের
বিষয়ে সাধারণত মানুষেরা ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে মহান আল্লাহ তা’আলা মানুষের
তাকদীরে একজন জীবন সঙ্গী লিখে রাখেন আবার কারও তাকদীরে লিখে রাখেন না। আর দোয়া ও
আমল এর মাধ্যমে কেবল এটি পরিবর্তন করা সম্ভব। বিয়ের মধ্যে দিয়ে একটি সর্ম্পক
স্থায়ী হয়ে থাকে।
আর বিয়ে এমন একটি বিষয় যেখানে একটি ছেলে বিয়ে করে তার নিজের পরিবার গঠন করে।
সেখানে যথেষ্ট দায়িত্ব ও কর্তব্য জড়িত থাকে। তখন আর্থিক ভাবে বিভিন্ন ধরনের
কাজ কর্ম করে সংসারের হাল ধরতে হয়। এছাড়া বৈজ্ঞানিক সংখ্যাতত্ব বা রাশিচক্র উপর
ধারণা করে একটি বিয়ের তারিখ বলে থাকে। আসল কথা হচ্ছে কেউ বলতে পারবে না যে, কার
বিয়ে কখন হবে।
আমার বিয়ে কবে হতে পারে
আমার বিয়ে কবে হতে পারে তা নির্ভর করে জ্যোতিষ, সংখ্যাতত্ত্ব, ধর্মীয় বিশ্বাস বা
ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী-বিয়ে কখন হবে তা নির্ভর করে
গ্রহের দশা ও গোচরের ওপর। ভালো কিছু পেতে হলে বা ধর্মীয় অনুযায়ী দোয়া ও কিছু
আমলের করার মাধ্যমে। এছাড়া বিয়ের আগে কিছু প্রস্তুতি রয়েছে। যেমন-জীবনকে সুন্দর
ভাবে গড়ে তুলতে হলে শিক্ষা, বাস্থান,কর্ম ইত্যাদি প্রয়োজন ।
বিয়ে করার জন্য আমাদের প্রথমে সুন্দর জীবন সঙ্গী বাচাই করা প্রয়োজন তা না হলে
জীবনে সুখ আসবে না। সরকারি অনুযায়ী যখন একজন ছেলের বয়স ২১ আর মেয়ের বয়স ১৮ বছর
তখন তারা একে অপরের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পাবে। অনেক সময় দেখা যায় মেয়ের
সম্পর্কে ভলো ভাবে খোঁজ খবর না নিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে পরে বিচ্ছেদ এ পরিণত
হয়।
বিয়ে করার আগে একটি মেয়ে পছন্দ ও অপছন্দ সম্পর্কে জানা আর কিছু কিছু সময় দেখা যায়
ছেলে মেয়ের বয়স গুলো সমস্যা হয়ে দাড়ায়। সমাজে সাধারণত দেখা যায় ছেলে মেয়ের বয়স
যখন ২১ থেকে ৩০ মধ্যে বিবাহ বন্ধে আবন্ধ হয় তাহলে দাম্পত জীবন অনেকটা সুখের
হয়। এতে বিচ্ছেদও কম হয় ফলে সংসার সুখের হয়ে থাকে। আর বলা যায় আমরা যেমন কর্ম করে
থাকি তেমনি মহান আল্লাহ তা’আলা ফল দিয়ে থাকেন।
তাই জীবন সঙ্গী বাচাই করতে হলে আপনি নিজে বাচাই করে নেবেন। তাহলে কখনো বিচ্ছেদ
হবে না। আর আপনার সাথে মিলে যাই। বিয়ে কবে হতে পারে এটা কেউ কখন বলতে পারবে না।
বৈজ্ঞানিক ভাবে কেবল মাত্র মানুষের জম্মতারিখ, সংখ্যাতত্ব, জ্যোতিষশাস্ত্র
অনুযায়ী একটা সম্ভাব একটা তারিখ বলে দেয়। আর প্রত্যেক ব্যক্তির মনে এই প্রশ্ন
থাকে আমি কবে বিয়ে করব কিন্তু এটি কেউ বলতে পারবে না ।
আমার বিয়ে কত সালে হতে পারে
আমাদের দেশে একটি প্রচলিত আইনে রয়েছে যে যখন আপনার বয়স ২১ বছর আর মেয়ের বয়স ১৮
হবে তখন তার জম্মতারিখ দেখে বলা যায় তাদের বিয়ে কোন সালে হবে। কিন্তু এটা বলা
কখনো সম্ভব না যে ছেলেমেয়ের বয়স হয়েছে কিন্তু বিয়ে কেন হয় নি । আর এটা বলা কখনো
সম্ভব হয়ে পড়ে না। ধরি একজন ছেলে ২০০৫ সালে জম্মগ্রহণ করছে তাহলে তার জম্ম
অনুযায়ী ২০২৬ সালে বিয়ে কারার বয়স কিন্তু দেখা যায় কোন কাজ কর্মের অভাবে ছেলে আর
বিয়ে করে না।
অনেকের মনে প্রশ্ন লেগে থাকে কত সালে আমার বিয়ে হতে পারে। কিন্তু এই সব কোন কিছু
সম্ভব না যে বলতে পারবে আমার ২০২৭ সালে বিয়ে হবে। এমনো আছে যাদের পরিবারের
স্বচ্ছলতা অনেক ভালো পরিবারে বাড়তি কেউ আসলে অনায়েসে চলে যাবে-সেই ক্ষেত্রে বলা
যায় বিয়ে কত সালে হবে। বিয়ে মূলত সবই তার তাকদীর এর ওপর নির্ভর করে। আর বিয়ে
মাধ্যে দিয়ে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ দায়িত্ব সম্পর্কে বুঝে।
আরও পড়ুন: জন্ম তারিখ অনুযায়ী কার কোন রাশি
যদি আপনার কোনো ব্যক্তিগত পছন্দ থেকে থাকে তাহলে বিয়ে আরও সম্ভব হয়। আর
বাংলাদেশের সরকার আইন অনুযায়ী একজন ছেলে ও মেয়ে তাদের বয়স ২১ বছর ও ১৮ বছর হতে
হবে তা না হলে তারা বিবাহ বন্ধেনে আবদ্ধ হতে পারবে না। বর্তমানে এমনকি খুব অল্প
বয়সে ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে থাকে তাদের বাবা-মা। তাই সরকার এই আইন চালু করেছেন।
এতে অনেকে সময়ের আগে বিয়ে দিয়ে থাকেন।
এছাড়াও আমাদের বাংলাদেশে প্রচলিত আছে বাল্যবিবাহ। বাল্যবিবাহ মানে কম বয়সে
ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া। আর এ থেকে বাচাঁর জন্য সরকার ছেলেমেয়েদের বিয়ের
জন্য একটি বয়স নির্ধারণ করে দিছে। কোন ছেলেমেয়ে যদি ২০০৬ সালে জম্মগ্রহণ করে
তাহলে ছেলের ক্ষেত্রে ২০২৭ সালে বিয়ে করার বৈদ্যতা পাবে আর মেয়ের ক্ষেত্রে ২৪
সালে বিয়ে বৈদ্যতা পাবে।
আমার কত বছর বয়সে বিয়ে হবে
সাধারণত আমরা মনে করি, ছেলের থেকে যদি মেয়ের বয়স বেশি হয় তাহলে পরস্পরের প্রতি
টান ও আকর্ষণ থাকবে না। দেখা যাবে সংসারে নানা বিষয়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনেকেই
মনে করে ২৫ বছর থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বিয়ে করলে সংসার জীবনে সুখী হতে পারে। অনেকের
ভাষ্য মতে দুইজনের প্রতি টান ভালোবাসা আকর্ষণ থাকলে সুখী হয়। আর সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দুইজনকে একে অপরে বুঝা।
আর যারা ৩১ বছর থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বিয়ে করে থাকে। তাদের বেশি মধ্যে চিন্তা করে
পড়ালেখা শেষ করে একটা ভালো কর্মের ব্যবস্থা করে তার পর মা-বাবার পছন্দ মত বিবাহ
করবে। তাদের মনে করে বেশির ভাগ মানুষ এটাই পর্যাপ্ত বিয়ের সময় তখন একটা ইনকাম
থাকে। এসময়ে বিয়ে করলে একটা লাভ আছে তাদের দুই জনের মধ্যে একটা ভালো বন্ডিং
সৃষ্টি হয়।
এছাড়াও কিছু কিছু আছে যারা ৪১ বছর থেকে ৫০ এর মধ্যে বিয়ে করে থাকেন। এ ধরণ
মানুষরা সাধারণত তাদের পড়াশুনা শেষ করতে আবার চাকরি খুঁজতে খুঁজতে অনেক সময় পার
হয়ে যায়। যার ফলে একসময় দেখা যায় তাদের বিযের পর বাচ্চা হতে সমস্যা দেখা যায়।
এজন্য অনেকে বলে সময়ের কাজ সময়ে করা ভালো। আর এর ফলে তাদের বাচ্চাদের ভালো
ভবিষ্যৎ তৈরি করে দিতে পারে না।
বিয়ের জন্য উপযুক্ত বয়স বিভিন্ন দেশের আইন আলাদা হতে পারে। বাংলাদেশের
ছেলেমেয়েদের বিয়ের বয়স সাধারণত ছেলেদের ২১ বছর বয়স আর মেয়েদের ১৮ বছর বয়স লাগে।
এছাড়াও বিয়ের জন্য শুধু মাত্র আইনি বয়স গরুত্বপূর্ণ নয় এর জন্য শারীরিক, মানসিক
এবং অর্থনৈতিক ভাবে প্রস্তুত হওয়া জরুরি। আর বিয়ে একটি অনেক বড় দায়িত্ব তাই উভয়
পক্ষেই দায়িত্ব গ্রহনের প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন।
জন্ম তারিখ অনুযায়ী আপনার বিয়ে কবে
জম্ম তারিখ অনুযায়ী আপনার বিয়ে কবে অনেকেই এটা সংখ্যাতত্বের ভিত্তির মাধ্যেমে বলা
হয়ে থাকে। আবার একজন মানুষের মানসিক সংখ্যা, ভাগ্য সংখ্যা, নাম সংখ্যা,
রাশিচক্র, জন্ম মাস এবং জন্মের বছর উপর নির্ভর করে থাকে। আবার কিছু অনুরুপ
সংখ্যাতত্ব অনুসারে ৯ প্রকারে বিভক্ত করা যেতে পারে। আবার ৯১ জ্যোতিষ আপনাকে
মাত্র আপনার জন্ম তারিখ, নাম, জন্মস্থান এবং আপনার জন্মের বিবাহ কবে হবে
পূর্বাভাস দেয়।
জম্মতারিখ অনুযায়ী সংখ্যাতত্বে ৯ এর মধ্যে যদি আপনার বয়স এক নম্বর এর মধ্যে থাকে
তাহলে আপনার বিয়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি। আর প্রেম করে বিয়ের কোনো সুযোগ নাই। আর
দুই নম্বর এ মধ্যে যারা তারা অনেক বুদ্ধিমান ও প্রেমময় হয়ে থাকে। আর তারা যাকে
ভালোবাসে তাকে বিয়ে করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে থাকে। আসলে জম্মতারিখ অনুযায়ী
কেউ কখনো বলতে পারবে না কার বিয়ে কখন হবে।
আরও পড়ুন: জন্ম তারিখ অনুযায়ী ভাগ্যফল 2025
এছাড়াও তিন নম্বর এর মধ্যে যারা থাকে তাদের প্রেম সফল হয়। তাদের
মধ্যে অটুট বিশ্বাস থাকে। আর চার নম্বর কিছুটা শান্ত এবং রংঙিন প্রকৃতির। তাদের
জীবনে প্রেম আসে নানা রকমের আবার কখনও কখনও তারা বিভ্রান্তিতে পড়েন প্রেমের
বিয়ে নাকি সাজানো বিয়ে। পাঁচ নম্বর এর মধ্যে যারা তাদের পদ্ধতিতে বিয়ে
করতে বিশ্বাসী। এরা তাদের স্বামীর প্রতি অনেক আস্তা ভাজন হয়ে থাকে এবং অনেক
শ্রদ্ধা করে থাকে।
আবার ছয় নম্বর এর মধ্যে যারা তাদের ভালবাসার ভিত্তি বিশ্বাস এবং উৎসর্গের
উপর ভরসা থাকে। এছাড়া তারা তাদের সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে অক্ষম। এজন্য তারা
ভালোবাসে, কিন্তু একজনের প্রতি অনুগত থাকতে পারে না। আর যারা সাত নম্বর এর মধ্যে
তারা সৎ এবং বিশ্বস্ত হয়ে থাকে। আবার যারা আট নম্বর এ মধ্যে তারা অ্যারেঞ্জড
ম্যারেজ করে থাকেন। আর যারা নয় নম্বর এর মধ্যে তারা প্রেমের ক্ষেত্রে দূরে থাকাই
ভালো পছন্দ করে থাকে।
গুগল আমার বিয়ে কার সাথে হবে
সমাজে আমরা অনেকেই যাদের সময় মতো বিয়ে হচ্ছে না। সময় মতো বিয়ে না হওয়ার কারণ কারো
পরিবার গত সমস্যা কারণে আবার কারো ইনকাম নাই বলে। এছাড়াও আর্থিক সচলতা নাই বলে
তাই কিছু কিছু মানুষ আছে গুগলে এসে সার্চ দেয় গুগল বিয়ে আমার কবে হবে বা কার
সাথে হবে। সাধারণত এই সব মানুষের মনের ভিতরের কৌতুহলকে বুঝায় চলুন আমরা তা
জেনেনি।
বিয়ে আমাদের সকলের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহান আল্লাহ তা’আলা নারী-পুরুষ
উভয়ের জন্য বিয়ে ফরজ করেছেন। বিয়ে মানুষের জীবনে দায়িত্ববোধ কর্তব্য ইত্যাদি
শেখায়। বিয়ে মানুষকে শালীন, পবিত্র এবং পরিপূর্ণ জীবনযাপনের পথে নিয়ে যায়। ইসলামে
মানব ইতিহাসের শুরু থেকেই বিয়ের বিধান চলে আসছে। আর বিয়ে একটি পবিত্র কাজ মহান
আল্লাহ তা’আলা মুসলমানদের জন্য বিয়েকে ফরজ করেছে।
ইসলামে বিয়েকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় একটি ইবাদত হিসেবে বলা হয়েছে।
আর যে ব্যক্তি প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছে এবং বিয়ের সামর্থ্য রাখে, তার জন্য
দেরি না করে বিয়ে করা ইমানি দায়িত্ব। কেননা বিয়ে চোখকে নিচু রাখে এবং
লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। আর যাদের সামর্থ্য নেই, সে যেন রোজা রাখে। কেননা রোজা
যৌবনের খায়েশ কমিয়ে দেয়। এর সাথে সাথে ইসলামের নৈতিকতা, মূল্যবোধ শেখায়।
এছাড়াও কোনো ব্যক্তি কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে বিয়ে করতে চায়, তাহলে শরিয়তের
সীমারেখার মধ্যে থেকে, সামাজিক রীতি-নীতি মেনে বিয়ে করতে হবে। অতএব কার
বিয়ে কার সাথে হবে-এটা তাকদীরে লিপিবদ্ধ থাকলেও চেষ্টা ও উত্তম উপায় অবলম্বন
করে ভালো জীবন সঙ্গিনী খোঁজ করা এবং এর জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা ছাড়া
কোনো বিকল্প নেই। কাজেই কখনো গুগলে সার্চ তা সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে না।
আমার বিয়ে কার সাথে হবে তার ফেসবুক আইডি
বিয়েকে কেন্দ্র করে আমরা বিভিন্ন জন বিভিন্ন রকম স্ট্যাটাস দিয়ে থাকি। বিয়ে মতো
একটি বিষয় মানুষের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিয়ে করতে হলে একটি নারীর
চারিদিকে দেখে শুনে বিয়ে করতে হয় তা না হলে সঠিক সময়ে সঠিক নারী না বাছাই করতে
পারলে জীবন অন্ধ কারের দিকে নেমে যায়। যার ফলে কিছু কিছু মানুষ এটা তেমন গুরুত্ব
নেয় না। কাজেই একজন নারীর সব থেকে তার দীনদারিকে প্রাধান্য দেয়া উচিত।
বর্তমানে অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ করতে গেলে পাত্রীর সকল কিছু সম্পর্কে পাত্রের পরিবার
জানতে চাই। তা জানা হয় গেলে পাত্র পাত্রীকে এক সাথ কথা বলার জন্য কিছু সময়ে দেয়।
যার ফলে তারা দুই জন কিছু সময় আলাপ আলোচনা করতে করতে তাদের ফেসবুক আইডি, ফোন
নাম্বার বিভিন্ন ধরনের সোসিয়াল সাইটে অ্যাড হয়ে যায়। পাত্র মনে করে যে সে আমাকে
পছন্দ করছে তাই এ্যাকাউন্ট দিছে কিন্তু এর কোন নির্শ্চয়তা নাই যে বিয়ে হবে।
আরও পড়ুন: আমার বিয়ে কার সাথে হবে তার ছবি দেখাও
আর কার বিয়ে কার সাথে হবে এটা মটেও বলা সম্ভব না। কেউ ভাবে মেয়ের ফেসবুক আইডি
পেয়ে গেছি মনে হয় আমার সম্পর্ক হয়ে গেছে এখন আমাদের দুই জনের বিয়ে হবে
কিন্তু এটা মটেও সম্ভব না কারণ মেয়েও তো তাকে পছন্দ থাকতে হবে যার ফলে বিয়ে
হচ্ছে না। আবার ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপশন দেখা যায় বিয়ে নিয়ে মূলত এসব
ক্যাপশন ফেক হয়ে থাকে কেউ কখনো বলতে পারবে না কার সাথে কার বিয়ে হবে।
বিয়ে একটি পবিত্র বন্ধন। যার মাধ্যেমে একটি সমাজের যুবকদের দায়িত্ববোধ নিয়ে আনা
যায়। বর্তমানে ফেসবুক এমন একটি মাধ্যম যেটা শুধু যোগাযোগের মাধ্যমই নয় বরং
নিজের ভিতরে থাকা অনুভূতি-আবেগ,ভালোলাগা- ভালোবাসা, দুঃখ কষ্ট ইত্যাদি ভাগাভাগি
করে থাকে। যার মাধ্যমে বর্তমান সমাজের ছেলে-মেয়েরা আইডি খোলে উভয়ের সাথে কথা
বলে। ফেসবুক আইডি মূলত একটি সামাজিক প্লাটফ্রম, যার মাধ্যেমে কথা বলা, বিভিন্ন
নিউজ ইত্যাদি দেখা যায়।
আমার কার সাথে বিয়ে হবে
সবারই মনে কৌতুহল আছে আমার বিয়ে কার সাথে হবে। বিয়ে বিষয়টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ
কারণ বিয়ে জীবনে একবারই আসে। তাই বিয়ে করতে গেলে সবাই দেখে শুনেই বিয়ে করে থাকে।
বিয়ের একটি দিক হলো একজন ছেলেকে তার দায়িত্ববোধ বুঝতে শেখায়। তবে ভালো জীবন
সঙ্গী পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে নিয়মিত দোয়া করতে হবে আমাকে উত্তম
জীবনসঙ্গী দান করুন।
কার বিয়ে কার সাথে হবে এটি কেবল মাত্র আল্লাহ তা’আলা তার তাকদীর এ লিখে দিছেন। আর
বেশি বেশি দোয়া আমল করলে তাকদীর পরিবর্তন করা সম্ভব। আর কার বিয়ে কার সাথে হবে
এটা জানার জন্য অনেকে গুগলে সার্চ দিয়ে থাকে। আসলে কেউ বলতে পারবে না কার বিয়ে
কার সাথে হবে। যেমন একটা সংসার টেকাতে হলে সততা, নিষ্ঠা, অপরকে সম্মান এই
ব্যাপারগুলো অনেক কাজে লাগে তেমটি বিয়ে করতে হলে সবদিকে দেখে শুনে করা
ভালো।
বিয়ে করার মেইন উদ্দেশ্য কি? সারাজীবন একসাথে থাকা, সংসার করা এইতো? যদি সুন্দর
আর সাকসেস আর যদি টাকা সংসার টেকার চাবিকাঠি হয় তাহলে মিডিয়া জগৎ কিংবা হাই
সোসাইটিতে কারো বিয়ে ভাংত না। বিয়ে একটি পবিত্র মাধ্যম যার ফলে একটি ছেলের মধ্যে
সবকিছু দেখা যায় তার পরিবারের জন্য কি না করতে পারে। বিয়ে মধ্যে দিয়ে একজন ছেলের
মধ্যে পরিবারে দায়িত্ববোধ ধর্য উভয় ফুটে ওঠে।
গুগলে বিয়ে নিয়ে সার্চ দিলে কখনো বলতে পারবে না কার সাথে কার বিয়ে হবে।
কারণ আল্লাহ তা’আলা সকল কিছু জম্মগ্রহণ করার সাথে সাথে বান্দার তাকদীরে লিখে দেয়।
তাই একজন মুসলিম হিসেবে কেউ বলতে পারবে না কার সাথে বিয়ে হবে। বিয়ে মানে শুধু
দুইটি মানুষের কাগজে-কলমে সাইন নয় বরং বিয়ে মানে দুই আত্মার মেলবন্ধন। আর বিয়ে
মানেই পরস্পর পরস্পরকে আলিংগন করে যত্নে রাখা খেয়াল রাখা।
একজন বেকার হিসেবে এখন কি আমার বিয়ে করা উচিত
মুসলিম হিসেবে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে বিয়ে করে না থাকলে বলে সে আরও গুণার মধ্যে
পড়ে যায়। আর যাই বিয়ে করল সে তার লজ্জা স্থানকে হেফাজত করল। আর তার দৃষ্টি হেফাজত
করল। হাদিসে বর্ণিত আছে, যার পরিবারে সামার্থ আছে আরেক জনকে খাওয়াতে পারবে এতে
তার কোন আর্থিক ক্ষতি হবে না সে যেন তার বেকার ছেলেকে বিয়ে দিয়ে দায়। আর যার দিন
ভালো ভাবে চলে না তাকে বল আগে ইনকাম এর ব্যবস্থা করতে তার পর বিয়ে।
আরও আমাদের হাদিস এ রয়েছে বিয়ে দিয়ে দেন রিযিক দেওয়ার মালিক আল্লাহ তা’আলা। আর
বিয়ে করেন নাই মানে কারও ভরণপোষণের দায়িত্ব নেই আপনার। আর দুনিয়াতে প্রত্যেক
মানুষই তার জন্য নির্ধারিত রিযিক নিয়ে আসেন। কেউ যে বেকার বলে তাকে বিয়ে দেওয়া
হবে না এটা আমাদের ইসলামে শেখায়নি বরং তাকে সাহায্যে করে ইনকামের ব্যবস্থা করে
দিতে বলছে।
এছাড়াও আমি আমার এ ক্ষুদ্র জীবনে এমন একজনকেও দেখি নাই যে বিয়ে করে না খেয়ে
রয়েছে এমনও কাহিনী শুনেছি হাত খালি অবস্থায় বিয়ে করেছে আর এখন কোটি কোটি টাকার
লেনদেন করে থাকে। একজন বেকার ছেলে বুঝে বেকার থাকা অবস্থায় বিয়ে করলে তখন তার
পরিবার যদি তার সাথ না দেয় তাহলে দুনিয়াটা বুঝা যায়। তাই বেকার থাকলেই বুঝা যায়
বিয়ে করা কেমন কঠিন ভালো আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকলে অনেক কঠিন হয়ে পড়ে।
আবার সমাজে এমন মানুষ দেখা যায় বেকার থাকা অবস্থায় গার্লফ্রেন্ড থাকে তখন তার
মধ্যে দায়িত্বের কিছু ছাপ দেখা যায়। আবার গার্লফ্রেন্ডকে বিয়ে করতে চাচ্ছেন,
কিন্ত তার বাবা মায়ের অনেক ডিমান্ড, গার্লফ্রেন্ড আপনাকে বোঝাচ্ছে ভালো কিছু
করতে, কিন্ত শেষমেশ আপনি মেয়ের বাবা মাকে লোভী বলছেন, অথবা তাকেই লোভী বলে ফিরে
চলে আসছেন। আসলে বেকার থাকলে এটা বেশি বোঝা যায়।
কত বছর বয়সে ছেলে মেয়েদের বিয়ে করা উচিত
একজন মানুষের যখন আপনি বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করতে পারছেন তখন বলা চলে এখনিই আপনার
বিয়ে করার উপযুক্ত সময়। বাংলাদেশে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন মানুষের প্রাপ্ত
বিয়ের বয়স ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর আর মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর একটি নিদির্ষ্ট
সময় সরকার থেকে বেধে দিছে। আর সময়ে আগে যদি বিয়ে করে তাহলে তার বিবাহ বাল্যবিবাহ
হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।
আগের আমলে শুনতাম মেয়েদের ১২ বছর বয়সে বিয়ে দিয়ে দিত আর ছেলেদের ১৫ বছর
বয়সে। কিন্তু যুগে সাথে সাথে তালমিলিয়ে বর্তমানে পৃথিবীর প্রায়
প্রতিটি দেশের সংবিধানে বিয়ে করার জন্য নুন্যতম বয়স সীমা বা বয়ঃসন্ধি বেধে
দেওয়া হয়েছে। আর এর ব্যতিক্রম হিসেবে সৌদি আরব ও ইয়ামানে যে কোন বয়সে বিবাহের
অনুমতি এখনো উন্মুক্ত আছে। কাজেই এক দেশের নিয়ম এর সাথে অন্য দেশের নিয়ম কখনো
মিলে না।
আরও পড়ুন: বিয়ে না হওয়ার কারণ ইসলাম কি বলে
বর্তমানে আমাদের সমাজে আমাদের অনেকেরই ধারণা শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য
থাকলেই বিয়ে করা যায়। কিন্তু এর সাথে সাথে বয়সও মেটার করে। আর কত বছর বয়সে
ছেলে-মেয়েদের বিয়ে করা উচিত- এই সংক্রান্ত একটি গবেষণায় দেখা গেছে বিয়ের জন্য
সেরা বয়স হলো ২৬ বছর বা ২১ বছর থেকে ৩০ বছর এর মধ্যে বিয়ে করলে সংসার জীবন সুখের
হয়। সেক্ষেত্রে তাদের দুইজনের মধ্যে ভালো একটি সম্পর্ক সৃষ্টি হয়ে থাকে।
গবেষণায় দেখাগেছে একজন মানুষ ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে বিয়ে করতে পারেন।
এক্ষেত্রে তার একটি চাকরি খোঁজা, সম্পত্তি ক্রয় করা কিংবা সঙ্গী বাছাই করা
সবক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এক্ষেত্রে হিসাবমতো ২৬ বছর এ বিয়ে করা
ভালো। এ বয়সটিকে উপযুক্ত বলার কারণ এ সংখ্যাটি বিয়ে করার জন্য উপযুক্ত সঙ্গী
খোঁজা ও পরিবার গড়ে তোলার মতো যথেষ্ট সক্ষমতা।
আমি বিয়ে করতে চাই কিভাবে করব
আমি মনে করি একজন বিয়ে করতে চাইলে প্রথমত তাকে শারিরীক, ব্যবহারিক এবং মানসিক ফিট
থাকতে হবে। যেন তার সব দিককেই ঠিক থাকে আর বিয়ে করতে চাইলে প্রথমত তাকে
ইসস্টাবিলিশ হতে হবে একটা ভালো ইনকাম থাকতে হবে যাতে তার সঙ্গীর দায়িত্ব নিতে
পারে। এছাড়াও ইসলামে বলে একজন ছেলের প্রাপ্ত বয়স্ক হলে তাকে বিয়ে দিয়ে দাও। আর
তার সকল রিযিক এর ব্যবস্তা মহান আল্লাহ তা’আলা দিবেন।
এছাড়াও বিয়ে করতে হলে কিছু দিক থাকে সঠিক জীবন সঙ্গী বাছাই করা, তার দায়িত্ব
নেওয়া আবার তার সাথে নিজস্ব চাহিদা এবং অনুভূতি প্রকাশ যাতে দুইজনের মধ্যে একটা
ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর পারিবারিকভাবে বা সামাজিকভাবে একজন ভালো জীবন জঙ্গী
খুঁজে বের করতে হবে দিয়ে আসতে আসতে অগ্রসর হতে হবে। যাতে তাড়াহুড়া করে ভুল জীবন
সঙ্গী বেছে না নেয়।
একজন ছেলের জীবনে বিয়ে একটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিয়ের মাধ্যেমে েএকজন
ছেলের মাঝে দায়িত্ববোধ এবং মূল্যবোধ বুঝা যায়। হাদিসে বর্ণিত আছে বিয়ে করলে মহান
আল্লাহ তা’আলা রিযিক বৃদ্ধি করে দেয়। তাদের কাজের ভিতরে বরকত বাড়ায়। রাসূল
(সা.) বলেন-যে বিবাহ করার ইচ্ছা করে, সে যেন দ্বীনকে প্রাধান্য দেয়। অন্য হাদিসে
এসেছে, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদের বিয়ে করা হয়- সম্পদ, বংশমর্যাদা,
সৌন্দর্য ও দ্বীনদারি। সুতরাং তুমি দ্বীনদারিকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি
ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আজ কাল সমাজে মানুষ নানা রকম ভাবে বিয়ে করে থাকেন। কেউ আয়োজন করে আবার কেউ এমনি
সাধারণভাবে বিয়ে করে থাকেন। যাদের অর্থ সম্পদ বেশি তারা বড় ধরনের আয়োজনের মধ্যে
দিয়ে বিয়ের আয়োজন করে থাকে। অপর দিকে যারা সাধারণ মধ্যেবৃত্ত তারা সচারচর কোন
আয়োজন ছাড়া বিয়ে করে থাকে। ইসলামের দিকে দিয়ে প্রত্যেকেরই উচিত মসজিদে যাই বিয়ে
করা।
শেষ কথা-আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে এটি বলা আদ্য সম্ভব না। কারন মহান আল্লাহ তা’আলা মানুষের জম্ম
হওয়ার সাথে সাথে তার তাকদীরে দুনিয়াতে তার কতটুকু রিযিক আছে এবং দুনিয়াতে কে তার
জীবন সঙ্গী হবে সবকিছু লিখে রাখছেন। সাধারণত বিয়ে করার জন্য প্রতেটি দেশের একটি
করে নিজস্ব নিয়ম-কানুন থাকে। যার মাধ্যে নির্ধারণ করে থাকে কার বিয়ে কখন হবে।
কিছু কিছু মানুষ রয়েছে সংখ্যাতত্ব বা জ্যোতিষশাস্ত্র মাধ্যেমে বলে থাকে বিয়ে কবে
হবে আর আসলে এটি একটি ব্যক্তিগত বিষয় এর র্পূবাভাস দেওয়া কঠিন। সাধারণত আমাদের
দেশের প্রচলিত আইন যখন ছেলেদের বয়স ২১ বছর হয় আর মেয়েদের বয়স ১৮ বছর হয় তখন তাদের
বিয়ে বয়স বলে গণ্য করা হয়ে থাকে। প্রথমত বিয়ে করতে হলে সঙ্গীনীর দায়িত্ব, মানসিক
এবং মূল্যবোধ নিজের ভিতরে আনতে হবে।
আর বিয়ে কোনো ছেলে খেলা নয়। বিয়ে মানে দায়িত্ব, শ্রদ্ধাবেধ, মানসিক শান্তি সকল
কিছু ত্যাগ করা শিখতে হবে। বিয়ে মানেই শুধু দুইজন মানুষের কাগজ-কলমে সাইন নয় বরং
দুটি আত্মার মিলনবন্ধন বা দু্টি পরিবারের মেলবন্ধন। বিয়ের মতো পবিত্র সম্পর্ক এই
দুনিয়াতে আর একটিও নাই। আর বিয়ে করলে মানুষকে মেনে নিতে হয় তখন আর গড়ে নেবার ফাঁক
পাওয়া যায় না।
👉তাই কবি হুমায়ূন আহমেদ বলেছেন-ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে না হওয়াটাই বোধ হয়
ভালো। বিয়ে হলে মানুষটা থাকে ভালোবাসা থাকে না। আর যদি বিয়ে না হয় তাহলে হয়ত বা
ভালোবাসাটা থাকে, শুধু মানুষটাই থাকে না। মানুষ এবং ভালোবাসা এই দুইয়ের মধ্যে
ভালোবাসাই হয়তো বেশি প্রিয়।


বিডি গুড আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url